November 18, 2019

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের আওয়ামী লীগে সুযোগ দিতে হবে- আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ক্ষমতার অপব্যবহার করা সন্ত্রাসী, টেন্ডারবাজ, সুবিধাবাদী হাইব্রিডরা আওয়ামী লীগে স্থান পাবে না। তৃনমুল থেকে উঠে আসা ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের আওয়ামী লীগে সুযোগ করে দিতে হবে। তাদের নিয়ে প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগকে সাজাতে হবে।
আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল, বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি উদযাপন উপলক্ষে বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় চট্টগ্রাম পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরিবিক্ষণ কমিটির মন্ত্রি পদমর্যাদায় আহ্বায়ক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিনিয়র সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ¦ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ-এমপি এসব কথা বলেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার নগরীর সদর রোডস্থ সার্কিট হাউসের সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আফম বাহা উদ্দিন নাসিম। সভাপতিত্ব করেন আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ-এমপি। সভাপতির বক্তৃতায় আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ জাতীয় সম্মেলনের পূর্বে বরিশালের প্রতিটি উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়ে বলেন, ‘আমি এই বরিশালের সন্তান। আমি বরিশালকে ভালোবাসি এবং বরিশালের মানুষকে ভালোবাসি। জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত সুখে-দুঃখে বরিশালবাসির পাশে থাকতে চাই।
দলীয় নেতা-কর্মীদের হুশিয়ার করে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ঐতিহ্যবাহী দল। এখানে কোন হাইব্রিডের স্থান হবে না। আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে টেন্ডারবাজি, সন্ত্রাসী করবেন তা আর হবে না, সেই দিন শেষ। নেতা হতে হলে অবশ্যই আওয়ামী লীগকে ভালোবাসতে হবে। আওয়ামী লীগের নাম ভাঙিয়ে কোন অন্যায়, অপরাধ করলে তার দায়ভার আওয়ামী লীগ নিবে না। বিশেষ বর্ধিত সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, বরিশাল সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ, বরিশাল-২ আসনের সংসদ সদস্য শাহে আলম, সংরক্ষিত আসনের এমপি সৈয়দা রুবিনা আক্তার মীরা, বরিশাল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মইদুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান মুনসুর আহমেদ প্রমুখ। এছাড়াও বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগ ও তার অধিন্যস্ত ১০ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদক, দলীয় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও পৌরসভার মেয়রগন উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে বিশেষ বর্ধিত সভায় আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলনের আগে অর্থাৎ ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রতিটি উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সম্মেলন সম্পন্নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় সভা করে সম্মেলনের প্রস্তুতি এবং দিন তারিখ নির্ধারন করবেন। জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি সম্মেলন হবে।
এছাড়াও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি সফল ও সাফল্যমন্ডিত করতে বিভিন্ন সাংগঠনিক আলোচনা হয়।
এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভা শেষে সন্ধ্যার পরে সার্কিট হাউজে চারটি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকদের সাথে সাংগঠনিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং আ.ফ.ম বাহা উদ্দিন নাসিম অংশগ্রহন করেন। এ সভার উদ্দেশ্যও ছিলো আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলর, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী উদযাপন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *