October 21, 2019

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুলিশকে অ্যাকশন নিতে বলেছিল ২০১৭ সালে

রাজধানীতে ক্যাসিনোয় জুয়া খেলা বন্ধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের চিঠি পেয়েও অভিযানে নামেনি পুলিশ। উল্টো, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের নীরবতায় ফ্রিস্টাইলেই চলেছে ক্যাসিনো। জন্ম নিয়েছে নতুন নতুন ক্যাসিনো। ক্রীড়াসামগ্রী ও মূলধনী যন্ত্রের মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ক্যাসিনোর জন্য বিদেশ থেকে আনা হয়েছে রুলেট, পোকার টেবিল ও স্লট মেশিন।অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, থানা থেকে মাত্র ৫০০ গজের মধ্যে দিনরাত এই খেলাসহ নানা অপকর্ম চললেও তা ধরা পড়েনি পুলিশের চোখে। অভিযোগ উঠেছে, মোটা অঙ্কের মাসহারা আর ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতার বিশেষ প্রশ্রয়ের কারণে দেখেও না দেখার ভান করত পুলিশ। এমন অভিযোগও উঠেছে, চলমান সাঁড়াশি অভিযানের সময় অনেক ক্যাসিনোর বিদেশি অংশীদারের পালানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছে পুলিশ।তবে পুলিশের নীতি নির্ধারক পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, এই নির্দেশের পরই জামান টাওয়ারের ছয়তলা ভবনের ক্যাসিনো বন্ধ করে দেয় পুলিশ। অভিযান চালানো হয় উত্তরার রিক্রিয়েশন ক্লাবে।এ ছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশ সদর দফতরের সূত্রানুযায়ী, ২০১৭ সালের ৮ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-২ শাখার তৎকালীন উপসচিব তাহমিনা বেগম স্বাক্ষরিত (স্মারক নম্বর-৪৪.০০.০০০০.০৫৭.০৪.০০৩.১৭-৩০৮) পুলিশ মহাপরিদর্শক বরাবর লেখা চিঠিতে রাজধানীতে ক্যাসিনো নামক জুয়ার আস্তানায় জুয়া খেলা বন্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়। ওই চিঠিতে ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাব, ফুয়াং ক্লাব, ধানমন্ডি ক্লাব, সৈনিক ক্লাব, এজাক্স ক্লাব, কলাবাগান ক্লাব ও পল্টন থানাধীন পুরানা পল্টনে অবস্থিত জামাল টাওয়ারের ১৪ তলায় একটি ক্যাসিনোর বিষয় উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে গৃহীত কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার অনুরোধ জানানো হয় ওই চিঠিতে।bd-pratidin-1-2019-09-23-04 (1)

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *