October 19, 2019

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

নেত্রীকে দেখার পর যেন প্রাণটা ফিরে পেলাম

২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট। বিকেলে সিংড়া উপজেলায় সদ্য প্রয়াত উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শাহজাহান আলী চাচার স্মরণসভার আয়োজন করেছিলাম। সিংড়া উপজেলা অডিটোরিয়ামে স্মরণ সভায় বক্তব্য চলছিল। আকস্মিক ঢাকা থেকে একটি দুঃসংবাদ আমাদের সকলকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল! আমরা জানলাম আমাদের প্রাণ প্রিয়

নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার উপরে গ্রেনেড হামলা হয়েছে! প্রাণপ্রিয় নেত্রী আর নেই!

দুঃসংবাদটি শোনার পর মুহূর্তেই এলোমেলো হয়ে গেলো সবকিছু।ক্ষোভে, দুঃখে, জীবনের মায়া ত্যাগ করে, বুকে সাহস নিয়ে প্রাণ প্রিয় নেত্রীর উপর গ্রেনেড হামলার প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গের মধ্যে সিংড়ায় আমরাই প্রথম বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে রাজপথে নেমেছিলাম। আমাদের বিক্ষোভ মিছিলটি যখন সিংড়ার বাসস্ট্যান্ড এর কাছে পৌঁছলো তখন আমাদের প্রতিবাদ মিছিলে বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসী বাহিনী অস্ত্র নিয়ে, গুলি করে ও বোমা হামলা চালায়।

আমিসহ আমাদের নেতাকর্মীরা মারাত্মক আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসাধীন ছিলাম।

সেখানেই জানতে পারি পরেরদিন ২২শে আগস্ট দুপুর আড়াইটায় সিংড়া থানায় আমি (জুনাইদ আহমেদ পলক) সহ তৎকালীন সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল কুদ্দুস, মজিবর রহমান চাঁদ,বাবু কাশিনাথ দাস, অ্যাড. জিল্লুর রহমান, লেলিন, ডন, চাঁন্দু, সোহেল, জাহাঙ্গীর, জাহিদুল ইসলাম, লেমন, আশুতোষ, খোকন, আরিফ, শরীফ, মমতাজ ও অরুপকে আসামি করে দ্রুত বিচার আইনে মামলা করেছে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা।

১৫ দিন আগে আমার প্রথম সন্তান অপূর্ব জন্মগ্রহণ করেছিল; আমি পিতা হয়েছিলাম; ১৫ দিনের শিশু সন্তানকে রেখে ফেরারি হতে হলো!

তবে একটু আশ্বস্ত হলাম এটা জেনে যে আমাদের প্রাণ প্রিয় নেত্রী বেঁচে আছেন।

আহত হয়েছেন অগণিত আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণ, নিহত ২৪ জন।

সারাদেশে আমরা যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক ও জননেত্রী শেখ হাসিনার অনুসারী হিসেবে কাজ করেছি তাদের উপর সীমাহীন নির্যাতন চালিয়েছে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা।ফেরারি অবস্থায় ঢাকায় এসে সুধাসদনে প্রাণপ্রিয় নেত্রীর সাথে দেখা করলাম।নেত্রীকে দেখার পর যেন প্রাণটা ফিরে পেলাম।103531_bangladesh_pratidin_bdp-zunaid-ahmed-palok

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *