August 14, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল চেয়ে

সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল চেয়ে রিট

 হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা বাতিল চেয়ে। রিট আবেদনে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনি, প্রতিবন্ধী, নারী, জেলা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটাসহ সব ধরনের কোটা পদ্ধতি বাতিল চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে কোটা পদ্ধতি প্রবর্তন করে ১৯৭২ সালের ৫ নভেম্বর জারি করা প্রজ্ঞাপন পুনর্মূল্যায়ন চাওয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এ রিট আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন রিট আবেদনকারীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট এখলাস উদ্দিন ভুইয়া।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আনিসুর রহমান মীর, ঢাকাস্থ কুমিল্লা সাংবাদিক সমিতির সদস্যসচিব ও বাসসের সিনিয়র রিপোর্টার দিদারুল আলম এবং দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার সিনিয়র সাব-এডিটর আবদুল ওয়াদুদ রিট আবেদনটি করেন।

রিট আবেদনে মন্ত্রিপরিষদসচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব, সংসদ সচিবালয়ের সচিব, আইনসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, সংস্থাপনসচিব ও সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদনে বলা হয়, ১৯৭২ সালের ৫ নভেম্বর এক নির্বাহী আদেশে সরকারি, আধাসরকারি, প্রতিরক্ষা এবং জাতীয়করণকৃত প্রতিষ্ঠানে জেলা ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা এবং ১০ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত মহিলাদের জন্য কোটা পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। পরে বিভিন্ন সময়ে এই কোটা পদ্ধতির সংস্কার, পরিমার্জন ও পরিবর্তন করা হয়। বর্তমানে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনি ৩০ শতাংশ, প্রতিবন্ধী ১ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা কোটা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫ শতাংশ কোটা পদ্ধতি চালু আছে। সব মিলিয়ে শতকরা ৫৬ ভাগ কোটা পদ্ধতি রয়েছে। বর্তমানে দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা ৩০ লাখ। এর মধ্যে ৪৭ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী। এ ছাড়া ১৯৭২ সালে যখন কোটা পদ্ধতি চালু হয় তখন দেশে জেলার সংখ্যা ছিল ১৭টি, এখন জেলা ৬৪টি। এ অবস্থায় কোটা পদ্ধতি চালু রাখা বৈষম্যমূলক ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *