August 14, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

চাঁদপুরের কচুয়ায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে খোলাবাজারে মৎস্য আড়ৎদের ব্যবসা ॥জনদুর্ভোগ

কচুয়া প্রতিনিধি,চাঁদপুর ॥
কচুয়ায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মৎস্য আড়ৎদের খোলাবাজারে ব্যবসা করায় জনদুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারন মানুষ। এতে করে পরিবেশ প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে। দূর-দূরান্ত থেকে আসা বাজার ব্যবসায়ীরা কেনা বেচা করতে হিমসিম খাচ্ছে। স্কুল কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন যাবার পথে দূর্গন্ধে তারা নানা সমস্যা ভুগছে। এই সমস্যার কারনে দূর অঞ্চল থেকে পাইকার ব্যবসায়ীরা বাজারে আসতে পারে না। এতে করে বাজারের আমদানি ও রপ্তানি হ্রাস পাচ্ছে। হারিয়ে যাচ্ছে পালাখাল বাজারের ঐতিহ্য। কেউ নিচ্ছে না তদারকি।
সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে সরকারি কর্মকর্তা পালাখাল বাজারের মৎস্য আড়ৎদের ব্যবসায় উচ্ছেদ করে দেয়। কিন্তু মের্সাস পালাখাল মৎস্য আড়ৎদার সবুজ হোসেন আইনকে অমান্য করে প্রতিদিন খোলাবাজারে সকাল থেকে আরম্ভ করে বিকাল পর্যন্ত পাইকারদের কাছে মাছ বিক্রি করেছে। ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে খুচরা ব্যবসায়ীরা। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। দূর্গন্ধে ছেয়ে গেছে সারা বাজার।
জেএসসি পরীক্ষার্থীরা জানান- পরীক্ষা আসার সময় এই বাজার দিয়ে আসতে হয়,মাছের দূর্গন্ধে আমরা যেতে পারছি না। আমাদের সাথে অনেকেই রোগে ভূগছে। প্রতিদিন আসতে হলে নাকে কাপড় দিয়ে আসতে হয়। এতে করে আমরা আমাদের পরিবেশ কিংবা মানুষ জনদূর্ভোগে ভুগছি। কেউ তার পদক্ষেপ নেয়নি। বাজার কমিটির অবহেলা এধরনের কার্যকলাপ করছে আড়ৎরা। তারা পদক্ষেপ নিলে আজ হয়ত আমরা এ ধরনের সমস্যা ভুগতে হতো না।

সূত্রে জানা যায়- দীর্ঘ ৬/৭ বছর ধরে মৎস্য আড়ৎদার সবুজ পালাখাল বাজারে অবৈধ ভাবে ব্যবসা করে আসছে। উপজেলা মৎস্য কিংবা নির্বাহী অফিস থেকে কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়ে চালিয়ে কার্যক্রম। ওই ব্যবসায়ী সরকারকে কোনো ধরনের কর না দিয়ে এভাবে চালিয়ে তাঁর কার্যক্রম। সরকারি টিন সীডের ভেতর থেকে তাকে উচ্ছেদ করায় জায়গা দখল করে নেয় খোলাবাজারে। এতে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাইনি।
অথচ তাঁর কোনো ধরনের ˆবধ কাগজপত্র নেই। নেই কোনো ধরনের কর্মর্তার অনুমতি।
বাজার ব্যবসায়ীরা জানান- খোলাবাজারে আড়ৎ দেয়ার কারনে পালাখাল বাজারের ব্যবসায়ীরা নানা সমস্যা ভুগছে। বাজারের মধ্যে মাছ আসতে পারছে না। এমন চলতে থাকলে দূর-দূরান্তে থেকে পথচারীরা আসতে পারবে না। এতে সাধারন জনগনের দীর্ঘ শ্বাkachua photo 16 Novস ফেলতে হিমসিম হচ্ছে। যাতে করে এমন ধরনের আর কোনো ঘটনা না হয় তাই আমরা চাই।
এব্যাপারে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নীলিমা আফরোজ মুঠোফোনে বলেন, আমি ঢাকায় আছি। এই ব্যাপারটি আমি অবগত আছি। তবে যারা আইনকে অমান্য করেছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *