September 19, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

কচুয়ায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মৎস্য আড়ৎদের জমজমাট ব্যবসা।

কচুয়া প্রতিনিধি,চাঁদপুর ॥
কচুয়ায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মৎস্য আড়ৎদের ব্যবসা করার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে সরকারি কর্মকর্তা পালাখাল বাজারের দুই মৎস্য আড়ৎদের ব্যবসায় উচ্ছেদ করে দেয়। কিন্তু মের্সাস পালাখাল মৎস্য আড়ৎদার সবুজ হোসেন তা অমান্য করে মঙ্গলবার সকাল থেকে আরম্ভ করে পাইকারদের কাছে মাছ বিক্রি করেছে।
জানা যায়- দীর্ঘ ৬/৭ বছর ধরে মৎস্য আড়ৎদার সবুজ পালাখাল বাজারে অবৈধ ভাবে ব্যবসা করে আসছে। উপজেলা মৎস্য কিংবা নির্বাহী অফিস থেকে কোনো ধরনের অনুমতি না নিয়ে চালিয়ে কার্যক্রম। সরকারি টিন সীডের ভেতরে জায়গা দখল করে নিজের স্থান করে নিয়েছে সবুজ। এতে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাইনি।
এদিকে মের্সাস পালাখাল মৎস্য ্য আড়তের পাশে আরেকটি মের্সাস মা বাবা মৎস্য আড়ৎ দিয়েছেন মোঃ শাহজালাল মিয়া। কে বা কাহারা সরকারি টিন সীডে অবস্থিত আড়ৎদের নামে উপজেলা নির্বাহী অফিসে অভিযোগ দায়ের করেন। সেই প্রেক্ষিতে সোমবার দুপুরে পালাখাল বাজারে সরকারি কর্মকর্তা এসে তাদের আড়ৎ উচ্ছেদ করে।
এদিকে শাহজালাল মিয়া বলেন, আমি এখনো আমার আড়ৎ উদ্বোধন করেনি তবে আমার প্রতিপক্ষ আমার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী অফিসে অভিযোগ দায়ের করেছে। সোমবার সরকারি কর্মকর্তা এসে দুজনের আড়ৎ উচ্ছেদ করে এবং নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নিজের মতো করে ব্যবসা চালাচ্ছে প্রতিপক্ষ আড়ৎদার। অথচ তাঁর কোনো ধরনের ˆবধ কাগজপত্র নেই। নেই কোনো ধরনের কর্মর্তার অনুমতি। এদিকে আড়ৎ দিতে গিয়ে আমার কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতির মুখে। এখন আমি দিশেহারা। তবে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানাই। যারা আইনকে মানে না তাদের বিচার চাই। বিচারের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।বাজার ব্যবসায়ীরা জানান- তাদের আড়ৎদের কারনে পালাখাল বাজারের ব্যবসায়ীরা এখন আতংকে রয়েছে। বাজারের মধ্যে মাছ আসতে পারছে না। এমন চলতে থাকলে দূর-দূরান্তে থেকে পথচারীরা আসতে পারবে না। এতে করে বাজারের সুনাম নষ্ট হবে। যাতে করে এমন ধরনের আর কোনো ঘটনা না হয় তাই আমরা চাই। পালাখাল বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারন সম্পাদক জাকির হোসেন বলেন, সোমবার সরকারি কর্মকর্তা এসে আড়ৎদের উচ্ছেদ করেছে তা আমি জানি। তবে যে এ অভিযোগ করেছে তা সঠিক করেনি। নিষেধাজ্ঞা জারি করার পরও পরদিন মঙ্গলবার সকালে সবুজ মৎস্য আড়ৎকে আমি নির্দেশ দিয়েছি ব্যবসা করার জন্য। তবে সে যেন মাছ বিক্রি সম্পূর্ন করে। আর কোনোদিন সরকারি টিন সীডে মৎস্য আড়ৎ না দিতে পারে। এমন টাই বলেছিলাম।
ইউপি চেয়ারম্যান ইমাম হোসেন সোহাগ বলেন, সরকারি ঘরে কোনো স্থায়ী ভাবে থাকার এখতিয়ার নেই। তবে দিনে দিনে ব্যবসা করে সে চলে যাবে । তবে এখন থেকে কোনো আড়ৎদাররা এ ব্যবসা করতে পারবে না।kachua photo 14 Nov

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *