April 23, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরেরঅযৌক্তিক ও অবৈধ হয়রানি বন্ধের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন

untitled-1লিয়নঃ বাংলাদেশ মেডিকেল ইন্সট্রুম্যান্টস এন্ড হসপিটাল ইকুইপম্যান্ট ডিলার্স এন্ড ম্যানুফ্যাকচারর্স এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত ০৫/১২/২০১৬ইং তারিখ বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় (বিএমএ ভবন অডিটরিয়াম), ১৫/২, তোপখানা রোড, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখিত দাবী জানান।
১.    আমদানী নীতি ২০১৫/২০১৮ এর পরিপ্রেক্ষিতে শুধমাত্র ইনভেসিভ আইটেম সমূহ ঔষধ প্রশাসনের আওতাধীন আছে। যেহেতু মেডিকেল ডিভাইসেস এবং সার্জিক্যাল দ্রব্য ঔষষ নয় এবং ২০১৫/২০১৮ আমদানী নীতিতে আমদানীযোগ্য পন্য বিধায় রেজিষ্ট্রেশন ব্যতিরেকে আমদানী ও বিক্রয় করার বিধান রাখিয়া আমাদেরকে সুষ্ঠভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার সুযোগ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানাইতেছি। যেহেতু রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া ব্যয় সাপেক্ষ এবং দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয় সেহেতু আমাদের মতো গরীব দেশের চিকিৎসা সেবা মাঠ পর্যায়ে সুষ্ঠভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য মেডিকেল ডিভাইসেস সমূহ রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া বাহিরে রাখার জন্য জোর দাবী জানান।
২.    তারা বলেন যে সকল মেডিকেল ডিভাইসেস আমদানী ও ক্রয়-বিক্রয় করিয়া থাকি তাহা গুনগত মানের দিক থেকে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত ও অনুমোদিত। আমদানীকৃত মেডিকেল ডিভাইসেস এর গুনগত মান নিয়ে ১৯৪০ সালের ড্রাগ এ্যাক্ট প্রায় ৭৫ বছরের কার্যকারিতা সম্পর্কে অদ্যবধি কোন অভিযোগ, এমন কি কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া হয়েছে বলে আমাদের জানা নাই। যেহেতু আমাদের আমদানীকৃত  মেডিকেল ডিভাইসেস পণ্যদ্রব্য সমূহ বিশ্ব মানের এবং যাহা ড্রাগ এ্যাক্ট-১৯৪০ সালের আওতায় নয় তাহা রেজিষ্ট্রেশনের আওতামুক্ত রাখার জন্য আকুল আবেদন জানান।
৩.    এ দেশে মুষ্টিমেয় কোম্পানী যৎসামান্য মেডিকেল ডিভাইসেস উৎপাদন করিয়া থাকে। যা দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠির চাহিদার পরিপেক্ষিতে খুবই অপ্রতুল। রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়া এবং নির্দেশনাবলী অনুসরন করে আমদানী কারকগণ আমদানী করিতে ব্যর্থ হলে দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠিার চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হবে। এ জন্য দেশের আপামোর মানুষের স্বাস্থ্য সেবার কথা বিবেচনা করে মেডিকেল ডিভাইসেস রেজিষ্ট্রেশনের আওতামুক্ত রাখার জোর দাবী জানান।
৪.    রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য মেডিকেল ডিভাইসেস আমদানী বাধাগ্রস্থ হওয়ায় পণ্য আমদানী কম হচ্ছে ইহাতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং এমন অবস্থা চলতে থাকলে দেশের স্বাস্থ্য সেবায় বিপর্যয় নেমে আসবে। পক্ষান্তরে মেডিকেল ডিভাইসেস সমূহ রেজিষ্ট্রেশন প্রক্রিয়ার বাহিরে রাখিলে অনেক বেশী আমদানী হবে এবং সরকারের বেশী বেশী রাজস্ব আদায় হবে। পণ্যের মূল্য সব সময়ই প্রতিযোগিতামূলক থাকিবে অর্থাৎ দাম কম থাকিলে সাধারণ মানুষ কম মূল্যে চিকিৎসা সেবা পাবে। তাই মেডিকেল ডিভাইসেস ঔষধ প্রশাসন হইতে মুক্ত করিয়া আমদানী জটিলতা কমাইয়া প্রচলিত নিয়মে আমদানী করার জোর দাবী জানান।
আরো বলেন ১৯৪০ সালের ড্রাগ এ্যাক্ট এবং ২০১৫/২০১৮ সালের আমদানী নীতি মোতাবেক আমাদের মেডিকেল ও সার্জিক্যাল ব্যবসায়ীদের সুষ্ঠ ও সুন্দর ভাবে ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ দিয়ে দেশের রাজস্ব উন্নয়নে এবং জনগনের সেবায় আত্মনিবেদন করার সুযোগ দানের দাবী জানান। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ হাবিব জাহান, সভাপতি হুদা ও এসোসিয়েশনের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ। নেতৃবৃন্দ জানান ৬/৭/৮ই ডিসেম্বর  পর্যন্ত একটানা বন্ধ রাখার দাবী জানান।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *