December 13, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

ফিটনেসবিহীন লঞ্চ চলাচল করে না’

noসংসদ ভবন থেকে: দেশের নদীগুলোতে ফিটনেসবিহীন লঞ্চ চলাচল করে না বলে জানিয়েছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দশম জাতীয় সংসদের দ্বাদশ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তরকালে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য গোলাম দস্তগীর গাজীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের অনুপস্থিতে তার পক্ষে পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সংসদে প্রশ্নের জবাব দেন।

মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, বিআইডব্লিউটিএ’র ফিটনেস সনদ  থাকা সাপেক্ষে রুট পারমিট এবং টাইম টেবিল প্রদান করা হয়। কাজেই ফিটনেস সনদবিহীন লঞ্চের চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। নৌপথে ফিটনেসবিহীন লঞ্চ চলাচল আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বর্তমান সরকার এ ধরনের নৌযানের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল অধ্যাদেশ ১৯৭৬ এর বিধান অনুসারে নৌ আদালতে মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের বিধান রয়েছে।

আওয়ামী লীগের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য বেগম ফজিলাতুন নেসা বাপ্পির অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে উদ্ধারকারী জলযান রয়েছে ৪টি। এর মধ্যে রুস্তম ও হামজার সক্ষমতা ৬০ টন করে। অপর দু’টি জলযান নির্ভীক ও প্রত্যয়ের সক্ষমতা ২৫০ টন করে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মো. নুরুল ইসলাম ওমরের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) বর্তমানে ১৯৫টি নৌযান রয়েছে।

এর মধ্যে ৫০টি ফেরি, ১৪টি রো রো ফেরি, কে টাইপ ফেরি ১৪টি, মিডিয়াম ফেরি ৪টি, ডাম্ব ফ্লাট ৮টি, ইউটিলিটি ফেরি ৯টি ও ছোট ফেরি একটি।

এছাড়া যাত্রীবাহী লঞ্চ রয়েছে ৩৯টি। অভ্যন্তরীণ যাত্রীবাহী ৮টি, উপকূলীয় যাত্রীবাহী জাহাজ ৩টি, এলসিটি ১টি, সি ট্রাক ১৪টি, ওয়াটার বাস ১২টি, টাগ ১৫টি, সেলফ প্রপেল্ড বার্জ ৬টি এবং সহায়ক জলযান ৫৪টি।

সমুদ্র পথে চলাচল উপযোগী ৩টি জাহাজ রয়েছে। এগুলো হচ্ছে- এমটি বাংলার জ্যোতি, এমটি বাংলার সৌরভ এবং এমভি বাংলার শিখা

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *