December 16, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

দেশে নির্মিত গেম ডাউনলোড হয়েছে মিলিয়ন বার

2016_08_07_15_57_53_t2J9Ta3Aw6DgmNZIsae0q2XpXpfsCS_originalঢাকা :  মোবাইল অ্যাপসের একটি বড় অংশই হলো মোবাইল গেম। বিশ্বের মোবাইল অ্যাপস ও গেমের বিশাল বাজারে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতিমধ্যে ‘হিরোজ অব ৭১’, ‘টিপ টপ অ্যান্ট’, ‘ড্রাগন ভিলেজ’সহ বাংলাদেশের বেশ কিছু অ্যাপ ও গেম মিলিয়নবার ডাউনলোড রেকর্ড গড়েছে।

আজ (রবিবার)  দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের মিলনায়তনে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি)বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত ‘মোবাইল গেমের বিশ্ববাজার বাংলাদেশের প্রস্তুতি’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ কথা বলেন।

পলক বলেন, এই বছর শেষ নাগাদ বিশ্বে গেম ইন্ড্রাস্ট্রির বাজার ৯৯.৬ বিলয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে, যার ৩৭ শতাংশই (৩৬.৯ বিলিয়ন ডলার) মোবাইল গেমের দখলে থাকবে। ২০১৮ সাল নাগাদ বিশ্বে গেম ইন্ড্রাস্ট্রির বাজার ১১৩.৩ বিলয়ন ডলার অতিক্রম করবে, যার মধ্যে মোবাইল গেমের বাজার ৩৯ শতাংশ (৪৪.২ বিলিয়ন) ডলার।

বিশ্ববাজারে ব্যবহারকারীদের মোবাইল গেমের জনপ্রিয়তার কথা উল্লেখ করে পলক বলেন, প্রতিদিনই গুগল প্লে-স্টোরে প্রায় ১৩শ’ অ্যাপ জমা পড়ছে, আর আইটিউনসে জমা পড়ছে প্রায় ১ হাজারের মতো অ্যাপস। এসব অ্যাপসের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশই হলো গেমিং অ্যাপস।

ডেভেলপারদের অপার সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু যে মোবাইল অ্যাপসের সংখ্যা ও বাজার বাড়ছে তাই নয়, সাথে সাথে বাড়ছে মোবইল অ্যাপ ডেভেলপারদের চাহিদা ও আয়। একজন অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডেভেলপার গড়ে মাসিক ৪.১ হাজার মার্কিন ডলার, আইওএস অ্যাপ ডেভেলপার গড়ে ৮.১ হাজার মার্কিন ডলার এবং উইন্ডোজ ফোন অ্যাপ ডেভেলপার গড়ে মাসিক ১১.৪ মার্কিন ডলার আয় করছে। তাহলে দেখা যাচ্ছে, একজন অ্যাপস ডেভেলপারের মাসিক গড় আয় ১০ হাজার মার্কিন ডলার। গত বছর একই সময়ের চেয়ে যা প্রায় ১১ শতাংশ বেশি। ফলে প্রয়োজনীয় কনটেন্ট ও দক্ষ জনবলের মাধ্যমে বিশাল এই বাজার ধরতে আমাদের উদ্যোগ ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

দেশে প্রথমবারের মতো গেম ও অ্যাপস শিল্পে সরকারের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজকে আরো বেগবান করতে গত ১৪ জুন একনেক ‘স্কিল ডেভোলপমেন্ট ফর মোবাইল গেম অ্যান্ড অ্যাপ্লিকেশন’ শীর্ষক প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। এই প্রকল্পের আওতায় বিভাগীয় পর্যায়ে ৭টি মোবাইল অ্যাপস ও গেম ডেভোলপমেন্ট একাডেমি স্থাপন, ৩০টি স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মোবাইল অ্যাপস ও গেম ল্যাব, অ্যাপ টেস্টিং ল্যাব ও ট্রেনিং পয়েন্ট স্থাপন করা হবে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে ৮ হাজার ৭৫০ জনকে পূর্ণাঙ্গ অ্যাপস ডেভোলপার এবং ২ হাজার ৮০০ জনকে গেমিং এনিমেটর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইসিটি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, অতিরিক্ত সচিব সুশান্ত কুমার সাহা, মহাপরিচালক, বনমালী ভৌমিক, বেসিস সভাপতি মোস্তাফা জব্বার, বেসিস সহ-সভাপতি রাসেল টি আহমেদ, বেসিস প্রাক্তন সভাপতি শামীম আহসান, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, পোর্টব্লিস গেমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসা মুস্তাকিমসহ আইসিটির ইন্ড্রাস্ট্রির কর্মকর্তাবৃন্দ।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *