October 18, 2018

শাহরাস্তি সাংহাই কাশির বাড়ীর লিটন ও তার ভাই নসু অজ্ঞান পার্টির সক্রিয় সদস্য

n6-300x200
শাহরাস্তি সাংহাই গ্রামে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুরের অভিযোগ পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার দুই ভাগে তদন্ত চলছে। গত ইউপি নির্বাচনের দিন তাঁতীলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আজিজুল হক পাটোয়ারী ব্যবসায়িক কার্যালয়ে একই গ্রামে ওসমান গনি নসু, মাদক লিটন ও মকবুল হোসেন আরো অজ্ঞাত নামা সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙচুর করেন ও অফিসের আসবাবপত্র লুঠ তরাজ করেন। এ বিষয়ে আজিজুল হক পাটোয়ারী শাহরাস্তি থানা ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশের কাছে দায়েরকৃত অভিযোগ থেকে রেহাই পেতে নসু গংগরা নানান তদবির চালাচ্ছেন। লিটন এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবক। নসু এলাকায় চিহ্নিত জুয়ারী। মকুবল হোসেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর কনেস্টবল থেকে নাকি এএসআই হয়েছে। তিনি রাজারবাগ টেলিকম বিভাগে কর্মরত রয়েছে। তিনি চাকুরী হওয়ার আগেই শিবিরের সূচিপাড়া দক্ষিণের দায়িত্ব পালন করছেন। ঐ সময় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নানান মিছিল মিটিং করেছেন। পরবর্তীতে শিবিরের সহায়তা কুখ্যাত নিজামী সহায়তা পুলিশের চাকুরী নেন। নসু গংগরা শাহরাস্তি অধিবাসী নয়। পার্শ্ববর্তী শ্যামপুর থেকে এই এলাকায় বসবাস করছেন। সর্বজনে তাহাদেরকে রহিঙ্গা বলে জানেন। এলাকার ডিস ব্যবসার নামে করছে মাদক ব্যবসা। গত কিছুদিন আগে নসুগংগদের প্রধান সেনাপতি রাসেল সাং- কেশরাঙ্গা, দিবা বেলায় এক কলেজগামী মেয়ে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করেগুম করার চেষ্টা  করেন সংহাই গ্রামের যুব সমাজ ঐ নির্যাতিত যুবতী মেয়েকে উদ্ধার করে রাসেলসহ তিন সহযোগীকে থানায় সপর্দ করেন। রাসেল নুস ও লিটনের সহযোগিতায় পালিয়ে যান। এই বিষয়ে শাহরাস্তি থানায় একটি অপহরণের মামলা হয়। ঐ মামলার আসামী রাসেল। নসু রাসেলকে দিয়ে এলাকায় ডিসের ব্যবসা আর মাস্তানী করাইতেন। রাসেলের বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার পর ডিসের দায়িত্ব নসু ও লিটন নিতে আসিলে এলাকার শান্তিপ্রিয় জনতা ধিক্কার দিয়ে বের করে দেন। মাদক ইনজেকশন কিভাবে রাসেলের কাছে ফেরুয়া বাজারে রাখা হয়।এই ভাবে এলাকার বহুলোককে অচেতন কওে টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেন। এবং গুম হত্যার সাথে রাসেল ও নসুবাহিনী লিটনের যোগসাজস রয়েছে। আর এই সব অপকর্মের কলকাঠি লাড়ছে রাজারবাগ পুলিশ লাইন টেলিকম শাখার মকবুল হোসেন। তাহার সহায়তায় তারা এলাকাকে জিম্মি করে রেখেছে। এর পূর্বে বিগত ৫ বছর যাবৎ সরকারের একটি খাল দখল করে রাখে। পরবর্তীতে গার্ডিয়ান বিডি নিউজ এলাকার শান্তিপ্রিয় জনগণের স্বার্থে জেলা প্রশাসক চাঁদপুরের হস্তক্ষেপে নসু ও লিটন খাল ছেড়ে পালিয়েছেন। এরপর আবার তারা ফেরুয়া বাজাওে শুভনীল নামে ভূয়া এনজিওর নাম দিয়ে একটি অফিস স্থাপন করেন। ঐ অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত নসু ও রাসেল ছিলেন। এলাকাবাসী জানান নসুর অফিসের বিশাক্ত ইনজেকশন রাখা মজুত রয়েছে। ঐসব ইনজেকশন রাসেল ও লিটন ব্যবহার করে  মানুষের টাকা পয়সা কেড়ে নেন। অভিযোগে জানা যায় লিটন ঢাকা বিমানবন্দর ও আজিমপুর এলাকায় ছিলেন। ঐসব  এলাকায় অজ্ঞান পার্টির অন্যতম সদস্য লিটন ছিলেন। ঐসব জায়গা থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এলাকায় এইসব কর্মকান্ড করে যাচ্ছে। এই সবকিছু দেখিও তাহারা ভিআইপির মত ঘুরে বেড়াচ্ছে। কাহাদের খুটির জোরে এসব কর্মকান্ড করে যাচ্ছে। পুলিশের কাছে অভিযোগ থাকা সত্বেও এদেরকে গ্রেফতার করছেন না। বিষয়টি এলাকাবাসীর কাছে বোধগম্য নয়। চলবে-

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *