November 21, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

থানা পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গলী দেখিয়ে শাহরাস্তিতে ফেরুয়া বাজার আল-আমিন মুরগীর খামারের নামে ইয়াবার ব্যবসা

imagesশাহরাস্তি সূচিপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নে ফেরুয়া বাজারের পশ্চিম সীমানায় মুরগীর খামারের নামে ইয়াবা’র রমরমা ব্যবসা করছেন  মোহাম্মদ শাহদাত হোসেন, পিতা- মোঃ হাসান, গ্রাম- ফেরুয়া বড়বাড়ী ও একই বাড়ীর মোহাম্মদ হান্নান দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ইয়াবার ব্যবসা করে আসছেন। এই চক্রের সাথে রয়েছে আরো অনেকেই। শাহদাৎ হোসেন প্রথমে ফেরুয়া  বাজারে ষ্টুডিও ব্যবসা করার সময়  নারী ব্যবসা সহ নানান অপকর্ম কাজে লিপ্ত ছিলেন। তাহার বিরুদ্ধে নারী শিশু ধর্ষণের মামলা রয়েছে। ষ্টুডিওর ব্যবসা বাদ দিয়ে মুরগীর খামারে নাম মাত্র চাকুরীর কথা বলিয়া হান্নানসহ চট্টগ্রাম থেকে ইয়াবার মোটা চালান এলাকায় এনে মটরচাইলেক যোগে নোয়াখালী, লক্ষীরপুর, কুমিল্লা ও চাঁদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা সরবরাহ করে আসছেন। রাতারাতি তাহারা  কোটিপটি হয়ে যায়। এলাকাবাসী জানান শাহাদাৎ মুরগীর খামারে কোন কাজ করেন না। কাজ করার নাম ভাঙ্গিয়ে ইয়াবা  ব্যবসা করেন। হান্নান এই ব্যবসার মূল হোতা। তাহার ফেরুয়া বাজারে নাম মাত্র চায়ের দোকান রয়েছে। মাঝে মধ্যে চায়ের দোকান খুলে আবার বন্ধ করে সপ্তাহে প্রায় ২/৩ দিন নিখোজ হয়ে যা। অথচ তিনি চট্টগ্রামে ইয়াবার চালান শাহরাস্তিতে আনেন। ইয়াবার ব্যবসার করার কৌশলে একাধিক মটরচাইকেল রয়েছে। প্রথমে যাওয়ার সময় যে গাড়ী ও পোষাক ব্যবহার করে আসার টাইমে মটরচাইলেক ও পোষাক পরিবর্তন করে ভিন্ন পথে আসে। এই চক্ররা শুধু মটরচাইলেকে সরবরাহ করে না তাহারা নয়া কৌশলে মুরগীর খাচির ভিতরে ইয়াবার চালান সরবরাহ করে। প্রতিদিন ১০-১২টি হোন্ডা তাহাদের খামারে আসা যাওয়া করে। আজ দীর্ঘ ১ বৎসর থেকে এই ব্যবসা করে আসছে। এলাকাবাসী জানান ইয়াবা মানেই বাবা নামে ব্যবহৃত হয় এলাকার স্কুল, কলেজ ছাত্র ও যুব সমাজকে ধ্বংস করেছেন ইয়াবা সেবন করে। আল-আমিন পল্টি ফার্মটির মালিক মোঃ আল- আমিন। এই খামারে সরকারের কোথাও নিবন্ধন নাই। এমনকি কোন ট্রেড লাইসেন্স  নেই। এর অন্তরালে করছে মাদক ইয়াবার ব্যবসা। গার্ডিয়ান বিডি নিউজে ধারা বাহিক সংবাদ পরিবেশন হচ্ছে। অভিযোগে জানা যায় আল-আমিনের পিতা- মোহাম্মদ হোসেন দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত বাংলাদেশ থেকে সৌদিআরব গিয়েছেন। সৗদি আরবের তায়েফ শহরে এখন আত্মগোপন করে আছেন। সৌদি আরব সরকারের তালিকাতে মোহাম্মদ হোসেন নিখোঁজ রয়েছেন। অথচ তিনি বাংলাদেশের পরিবার জনের সাথে চলছে যোগাযোগ। ছেলেদেরকে দিয়ে মাদক ইয়াবার ব্যবসার একটি সেন্ডিকেট গড়ে  তোলে ফেরুয়া বাজারে। থানা পুলিশকে বৃদ্ধাঙ্গুলী  দেখিয়ে ইয়াবার ব্যবসা করেছেন। অথচ মাদক ব্যবসায়ীর পিতা কিভাবে নিখোঁজ হয়েছে তাহা ক্ষতিয়ে দেখা একান্ত পরিহার্য। গার্ডিয়ান বিডি নিউজ ধারা বাহিক সংবাদ পরিবেশন করায় এই চক্ররা গার্ডিয়ান বিডি নিউজের সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলে দেখিয়ে দিবে। চলবে-

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *