December 16, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

শাহরাস্তি সংহাই গ্রামের নারী ধর্ষণকারী বহু অপকর্মের হোতা পুলিশের কনস্টেবল বিল্লাল হোসেনে ও তার ভাই আবু সুফিয়ান প্রতারণার আস্থানা ফেরুয়া বাজারে ছাত্রলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে জনগণকে করছে হয়রানি ও পিতা এছহাক ব্যাপারীকে গরু গড়ে বেঁধে নির্যাতন করছেন এবং গরুর সাথে রাত্রিযাপন করান

1453261841শাহরাস্তি উপজেলার সংহাই গ্রামের মৃত্যু এছহাক বেপারীর পুত্র বিল্লাল হোসেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী কনেষ্টবল পদে চাকুরীতে যোগদান করে। পূর্বে তিনি এলাকার নারী নির্যাতন ও ধর্ষণসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিল। তাহার এই সব অপকর্ম ডাকা দেওয়ার জন্য বিশেষ একটি মহলের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পুলিশে চাকুরী নেন। সংহাই  গ্রামের ঈমাম হোসেনে ঘরসংসার ভেঙ্গে দেয়। আজকে তার সন্তানরা বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এর দায়ী এই নারী লোভী নরপিচাশ পুলিশ কনেষ্টবল বিল্লাল  হোসেন। অভিযোগে জানা যায় বিল্লালের পরিবারটি একটি জগন্য অপরাধী। মৃত্যু পিতা এছহাক বেপারী জীবীত থাকাকালে সন্তানদের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় পিতাকে গরু গড়ে বেঁধে রেখে নির্যাতন করেন এবং রাত্রে গরুরর সাথে রাতযাপন করান। আর এই ব্যক্তিরা বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্য। পুলিশ জনগণের বন্ধু ও মানুষের জানমাল রক্ষাকারী। এই অপরাধী কিভাবে কর্মরত রয়েছে পুলিশ বিভাগে। বিল্লাল ডিএমপিতে থাকাকালী চাঁদাবাজী সন্ত্রাসী কোনটাই বাদদেন নাই। তিনি এখন বরিশাল বিভাগে বরিশাল সদর থানায় কর্মরত আছেন বলে জানা যায়।  তাহার একাধিক নাম্বারের মোবাইল এর মদ্যে রয়েছে, যেমন-০১৭১০৩০৩৯০০, কোথায় কর্মরত আছেন তাহা গোপন রাখেন। তাহার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টারে। তদন্ত করিতে হিমশিম খাচ্ছে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা। সত্য কথা বিল্লাল বলেনা কোথায় আছেন।  নিজ এলাকা শাহরাস্তি ফেরুয়া বাজারে এতিমদের গোসলখানা সরাইয়া পুলিশের নাম ভাঙ্গিয়ে সরকারি খালের উপর দোকান ঘর নির্মাণ করে ভাড়া দেন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অভিযোগ দেওয়া হয় যাহার তদন্ত হবে ২০/০৬/২০১৬ইং তারিখে বেলা ২.৩০মিনিটে ফেরুয়া বাজারে। তদন্তকারী আ্হ্বায়ক উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন ও সদস্য এস আই আব্দুল মান্নান শাহরাস্তি মডেল থানা। তদন্ত থেকে বাঁচার জন্য তদবির চালাচ্ছে বিল্লাল ও আবু সুফিয়ান। এলাকাবাসী  জানান আবু সুফিয়ান কোন ছাত্র নন। ইউপি নির্বাচনের সময় তিনি ছাত্রলীগ নেতা দাবী করে পরিবারের নোংরা ঢাকার জন্য। অথচ তিনি আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সক্রিয় কোন সদস্য নন। ঢাকা নীলক্ষেত থাকাকালীন আবু সফিয়ান বিএনপি’র যুবদল করতেন। অনেক মিছিল মিটিংএ উপস্থিত ছিলেন। গ্রামে গিয়ে তিনি এখন ছাত্রলীগ হয়েছেন। আবু সুফিয়ান দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। ফেরুয়া বাজারে আবু সুফিয়ান ও বিল্লালের সহযোগিতায় টেলিফোন ও ফ্যাক্সের দোকান বসাইয় হুন্ডির ব্যবসা করেন। এই পরিবারটি দীর্ঘদিন এলাকায় জালটাকার ব্যবসা করতেন। তাহাদের হাতে এলাকার দরিদ্র রফিক প্রতারিত। এই সব অপকর্ম করার পরও তাহাদের বিচার হচ্ছে না। তাহার অপর ভাই মানিক বিএনপি করেন। জামায়াত শিবিরের এজেন্ট হয়ে আওয়ামী লীগের নাম  ভাঙাচ্ছে। ইউপি নির্বাচনের সময় বিল্লাল নিজেই জালভোট দিয়ে অপর পক্ষেও কাজ  থেকে মোটা অংকের টাকা নেন পুলিশের ভয়ভীতি দেখাইয়া। তাহার হাতে প্রতারিত মিজানুর রহমান তরপদার। এই জবর দখলকারী পুলিশ বাহিনীর সুনাম বিন্যাশকারী ও নারী ধর্ষনকারী বিল্লালের বিচার হওয়া উচিৎ। তিনি এলাকায় আসলে তাহাকে এলাকাবাসী জুতার মালা দিয়ে এলাকায় ঘুরাব্ েএলাকাবাসী জানান। বরিশাল বিভাগে পুলিশ বাহিনীতে থাকিয়া তাহার অপকর্ম ঢাকার জন্য কলকাঠি লাড়ছে।  তাহার ই ছোট ভাই আবু সুফিয়ান থানা ছাত্রীগের নেতা দাবী করে মানুষকে হয়রানি করছেন। অথচ আবু সুফিয়ান ছাত্রলীগের কেউ নন বলে জানা যায়। কেবলমাত্র প্রতারণা করার জন্য ফেরুয়া বাজারে আস্তানা স্থাপন করে খাল দখল, এতিমদের খোসলখানা দখল, এতে করে সরকারের ভাবমূর্তি ব্যাপক ক্ষুণœ হচ্ছে। সরকারের নীতি নির্ধারকগণ বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখার একান্ত বলে মনে করছে এলাকাবাসী। এই পরিবারটি নিজ পিতা এছহাক ব্যাপারীকে গরু গড়ে বেঁধে নির্যাতন করছেন এবং গরুর সাথে রাত্রিযাপন করান। এরা এখন পুলিশ বাহিনীর সদস্য, কেউ ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে করছে প্রতারণা।  চলবে-

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *