August 17, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

গণ আবেদন, অধিকার বঞ্চিত ও দিশেহারা ভুমিহীনদের ভুমি প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী ও ভুমি দস্যুদের দখলের অভিযোগ

গণ আবেদন, অধিকার বঞ্চিত ও দিশেহারা ভুমিহীনদের ভুমি প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারী ও ভুমি দস্যুদের দখলের অভিযোগ
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী , গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। বিষয়ঃ হাজার হাজার কোটি টাকার সরকারী জমি প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের যোগসাজসীতে ভুমি দস্যুদের কুখ্যিগত দখলে, ভুমিহীন বাস্তহারা পরিবার গুলি অধিকার বঞ্চিত ও দিশেহারা, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, মিথ্যা মামলা, তদন্তে জাতীয় সম্পদ রক্ষাকরণ প্রসঙ্গে গন অভিযোগ সহ আবেদন। জনাব, সবিনয় নিবেদন এই যে, আমরা রংপুর সদর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দাগণ এই মর্মে গন আবেদন সহ অভিযোগ করিতেছি যে ভি, পি ও খাস খতিয়ান নং-১ ভুক্ত নি¤œ তফসিল বর্ণিত জমি গুলি প্রভাবশালি ভুমি দস্যুগং প্রশাসনের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহিদ যোগসাজুসীর প্রেক্ষিতে ১৯৯০ ইং সালে মাঠ রেকর্ড হয় কালেক্টর রংপুর নামে, সরকারী নামে হইলেও পরবর্তীতে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের সহযোগীতায় গোপনে ব্যাক্তি মালিকানায় রেকর্ড করা হয় মন্ত্রনালয়ের আদেশ উপেক্ষা করে মোটা অংকের উৎকোচ লেনদেনে পাঁচ হাজার কোটি টাকার উর্দ্ধে জমি বেহাত হওয়ার রেকর্ড এ সরকার পক্ষে আপত্তি নাই, মর্মে ব্যাক্তি মালিকানায় যাওয়ার বিষয় তদন্ত করে দুর্নিতি বন্ধ করে সরকারী স্বার্থ রক্ষা করণ, এবং ভূমিহীন বাস্তহারা পরিবার গুলির বসবাসের ব্যবস্থা করে সরকারের ভাবমুর্তি রক্ষা করা আবশ্যক মর্মে প্রকৃত বিত্তান্ত নি¤œরুপঃ ১। (ক) নালিশী সম্পত্তি রাজা জানকী বল্লভ ওরফে জামিনি বল্লভ সেনের ছিল। তাহার মৃত্যুর পর তাহার পুত্রগণ মধ্যে জমিদার কুমার জোতিষ চন্দ্র সেন জমিদারি ষ্টেট পরিচালনা করেন সহদ্বর ভাই মম্মথনাথ সেন, রুক্ষিনী বল্লভ সেন ও মাতা বৃন্দা রানী ষ্টেট পরিচালনায় সেবাইত হিসাবে সহযোগীতা করেন। এবং দখলিকার প্রজাগণের নিকট হইতে দাখিলা (প্রজার অংশ) মূলে ষ্টেট এর কর্মচারীগণের মাধ্যমে খাজনা অর্থ আদায় করেন। ষ্টেট এর আংশিক অংশ মৌজা বড় রংপুর জে, এল নং- ১৩৮, তৌজি ৭.৮, সি. এস খতিয়ান নং- ১৯৮ উল্লেখিত খতিয়ানটিতে দখলিকার মধ্যস্বত্ত্বাধীকারী জমির পরিমান ২৯.৪৯ একর। অধিনস্ত স্বত্ত্বের খতিয়ানে ৪৪.৯৪ একর ষ্টেট এর জমির মোট পরিমান আনুমানিক প্রায় ৩৫০ (তিনশত পঞ্চাশ) একর এর উদ্ধে কোতয়ালী, রংপুর ও ডোমার, ডিমলা এলাকায় সম্পত্তি ছিল। নালিশী সম্পত্তি সৈয়দ জমান সরকার, পিতা নেওয়াজ উদ্দিন মু্িন্স সাং- চরদিঘাইর, থানা ইসলামপুর, মহকুমার জামালপুর, জেলা- ময়মনসিংহ। নিবাসীর রাজা জানকি বল্লভ সেন এর পুত্রগনের সহিত ব্যবসায়িক সম্পর্ক লেনদেন নেওয়া দেওয়া থাকায় দীর্ঘ ৬ যুগ আগে থেকে দখলে ছিল। তিনি জমির জমিদারি দাখিলায় খাজনা প্রদান করতেন। দীর্ঘ ৭৪ বছর ধরে দখলে আছে দখল ও দাখিলার বিষয়ে এডিশনাল ডিপুটি কমিশনার (রেভিনিউ) রংপুর বরাবরে মিসকেস আনায়ন করলে অনুমোদিত মিসকেস নং-৫৮৬৯/৬৩-৬৪ এর এক আদেশ তাং- ৮/১১/১৯৬৩ ইং এর হোল্ডিং অদ্যবধি চালূ আছে। তা সত্যেও আজাহার আলী জেলা- রংপুর সাব জজ আদালতে এস, এ রেকর্ড সংশোধনের জন্য ই বি এম এ এন্ড টি এ্যাক্টের- ১৪৩/ক ধারা মতে মিস কেস নং- ৬৪/৬৮ দাখিল করলে, মোকদ্দমার সংশোধনী আদেশ হয়। ১৯/৮/৭১ ও মিস মোকদ্দমা ১৮/৪/৭২ ইং তারিখে আদেশ হয়। উহার বিরুদ্ধে মিস আপীল মোকদ্দমা করে যাহা সরকার ৫০/৭১ নং মোকদ্দমাটি দোতরফা সুত্রে ডিসমিস হয় ২৮/৪/৭২ ইং তারিখে। সড়যন্ত্রমূলক যোগসাজসীআশ্রয়ে আদালত থেকে বাদীগনের মূল কাগজপত্র সরিয়ে ফেললে বা চুরি হয়ে গেলে জেলা রংপুরের সাব জজ আদালতে এস টি নং-৪৪৮/৭৯ ইং নং মোকদ্দমা দায়ের হয়। আদালত থেকে বৃন্দা রানী ও জোতিষ চন্দ্র সেন এর দেওয়া ১৮টি খাজনা দাখিলা চুরি হয়। যাহা ১৯৫০ ইং সালে প্রজাশর্ত আইনের বিষয়টিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্যই করা হইয়াছে। ১৯৯০ সালের মাঠ জরিপে জেলা-রংপুর মৌজা- বড় রংপুর জে.এল নং ১৩৮, জরিপের ২৮ ধারায় ৪৫+৭০ খতিয়ানকে দস্যুগণ ই বি এম এ্যাক্ট এর মিসকেস নং-০২/১২ আপত্তিদেয় দখলীয় পক্ষর নোটিশ গোপন করে রেকর্ড করে নেয়। খতিয়ান নং Ñ৬৯৬ তে দখলিকার রেকর্ড হয়। ভূমি দস্যুদের যোগ সাজসী ষড়যন্ত্র মুলক এক এর পর এক হয়রানী মূলক পথ সৃষ্টি করে অনেক পরিবারকে পথে বসানোর চেষ্টায় লিপ্ত। সরেজমিনে তদন্ত করিলে দেখা যাবে উল্লেখিত খতিয়ানের জমিতে পুরাতন দুইটি মসজিদ একটি মাদ্রাসা একটি কবরস্থান রহিয়াছে। (খ) সি, এস ১৯৮ খতিয়ানে অধীনস্থ জমিতে প্রায় দুইশত পরিবারের বাড়ীঘর রহিয়াছে অধীনস্থ খতিয়ানে জেলা প্রশাসনের ভি, পি কেস নং-২০১/৭৭, এর আদেশ নং-৩৭৪(১) তাং-২৭/০৪/১৯৭৭ ইং মারফত সরকারী রাজস্ব প্রদানে জমিতে বহুদিন ধরে বসবাস করছে। সহকারি সেটেলমেন্ট অফিসার স্বাক্ষরিত তাং-০৭/০৫/১৯৯৫ ইং এর আদেশে বলা আছে আপত্তি কেসের সংখ্যা ১২টি একত্রি করনে বাংলাদেশ সরকার পক্ষে ডি পি খতিয়ান-১/১ এর সাবেক দাগ-১৫টি তহশিলদার মোঃ তোফজ্জল হোসেন আপত্তি দাখিলে ১/১ খতিয়ান বহাল রাখিয়াছিল। বহাল আদেশ নকল ২৮৬৫ নং জাবেদা, বলা হয়। পরবর্তী মিস কেস নং-০২/১২ গোপনে রেকর্ড করে, যাহা আদালতে সরকার পক্ষে মোকদ্দমা দায়ের করা আবশ্যক। (গ) অতিরিক্ত কমিশনার রাজশাহী বিভাগ রাজশাহী ডি পি কেস নথি নং-২১/৯৬ সাবেক দাগ ১৬ টির অনুকুলে মোট জমির পরিমান-১৪.২৩ একর অর্পিত সম্পত্তি স্মারক নং- রাজস্ব/০৭-৮/২০০০-২০১৬(২) তাং-২০/১১/২০০০ ইং অবমুক্ত করেন। (ঘ) অবমুক্ত প্রসঙ্গে বিভাগীয় কমিশনার রংপুর এর ২৯/১২/২০১০ ইং তারিখে স্মারক নং-২০১০-৪১০ এর নির্দেশ মতে সরে জমিন তদন্ত করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) লালমনিরহাট গত ০৩/০৩/২০১১ ইং তারিখে যাহার চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৬টি দাগের দখলিকার ব্যাক্তিদ্বয় জানেন না। (ঙ) অত্র খতিয়ানের জমিতে ২৩৭ দাগে একটি মন্দির রহিয়াছে। বর্তমান কমিটির সম্পাদক এ্যাডঃ শ্রী রথিষ চন্দ্র ভৌমিক (বাবু সোনা) ২৭৯,২৮৬,২৮৭,২৮৯ নং চার দাগে ২.৫৩ একর অনেক জমি অন্যায় আশ্রয়ে নিজ নামে সম্পত্তিতে পরিণত করিয়াছেন উল্লিখিত ব্যক্তি, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট্রি ও হিন্দু, বৌদ্ধ, খিস্টান ঐক্য পরিষদের রংপুর এর সভাপতির দায়িত্বে নিয়োজিত এবং আজহার আলী নামীয় জমিগুলি কক্ষিগত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। (চ) সরকারি বিভাগীয় প্রশাসন অবমুক্তির আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু রংপুরের জেলা প্রশাসন ও সহকারী কমিশনার ভূমি সদর, রংপুর, ভিপি কেস নং- ২০১/৭৭ এর আদেশের ১৬টি দাগে লীজ / বন্দোবস্ত প্রদানে রাজস্বাদি গ্রহণ করেন। হতদরিদ্র ভূমিহীন বাস্তুভিটাহীন মানুষগুলির নিকট থেকে তদন্ত না করে ভুল সিদ্ধান্তের দায়ভার সরকারের উপর বর্তায়। (ছ) একজন জাতীয় পরিচয়পত্রধারী ভোটার এর বাসস্থানের অধিকার মানুষের মৌলিক অধিকার। তাহাদের পুর্নবাসন না করে মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত উচ্ছেদ বিষয়টির জন্য যেকোনো সময় আইন শৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে। বর্ণনা মোতাবেক প্রশাসনের পুর্ন তদন্ত করে সমাধানের পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক। ২। (ক) বাংলাদেশ সরকার ভূমি মন্ত্রণালয়, শাখা-২, স্মারক নং-ভূ:মা:/শা-২/(খতিয়ান নকশা প্রণয়ন) – ৪৫/২০০২-৮১৭, তাং- ১০/১২/২০০২ ইং এর পরিপত্র জারী হওয়া সত্বেও উক্ত পরিপত্র উপেক্ষা করে বাংলাদেশ সরকার এর যে কোন শ্রেণির জমি যাহা, জাতীয় সম্পদ রক্ষা করণে, অবহেলা, অনিহা, কারণ (যোগসাজশী) জাগিয়া ঘুমানোর শামিল। ভূমিদস্যু শ্রেণির প্রভাবশালীদের জাল কাগজের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ সরকারি অধিগ্রহণ, অর্পিত, পরিত্যাক্ত, লাওয়ারিশ ও খাস জমি প্রভাবশালীদের কখ্যিগত এবং দখলে। রংপুর ডেইরী ফার্ম প্রতিষ্ঠার জন্য এল.এ. কেস নং- ১৯/১-১৯১২-১৩, ডিক্লারেশন নং-১০৯০ মূলে ৯৪ টি দাগে বিগত ১৯১৩ ইং সনে কোতয়ালী থানার অর্ন্তগত আলমনগর মৌজায় রংপুর ডেইরী ফার্ম নামে মোট ৩৩২.৮৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয়। যাহা বর্তমান নূরপুর, মহাদেব, আলমনগর, এলাকা মিলে সি.এস. রেকর্ডে ২৩৩১ নং খতিয়ানে এগ্রিকালচার ডিপার্টমেন্ট, রংপুর ডেইরী ফার্ম নামে প্রচারিত আছে। যথাসময়ে রংপুর ডেইরী ফার্ম প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় কিছু সংখ্যক চাতুর ব্যক্তি এস.এ. রেকর্ড এর পূর্বে উক্ত খতিয়ানের জমি হতে চার এর এক অংশ জমি বন্দোবস্ত নেয়। পরবর্তীতে জাল কাগজের মাধ্যমে তাদের নামে রেকর্ড করে নেয় এবং ভূয়া রেকর্ড পত্রের দ্বারা অবশিষ্ট তিন ভাগ জমি প্রায় ৫০০ বিঘার উর্ধ্বে সরকারি জমি অবৈধ দখলভোগ করছেন। যাহা সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে সরকারের খাস দখলে নেওয়া আবশ্যক। তফসিলঃ জেলা-রংপুর, থানা-কোতয়ালী, মৌজা-আলমনগর, জে.এল. নং- ৯৬ এর এলাকায়। সরকারের নীতিমালা মোতাবেক ভূমি মন্ত্রণালয়ের আদেশে বর্তমান জরীপে এস.এ. খতিয়ান কে আমলে না নিয়ে সি.এস. খতিয়ানের উপর ভিত্তি করে নতুন রেকর্ডে সরকারি ১ নং খাস খতিয়ানে রেকর্ড করার কথা থাকলেও রংপুর সদর উপজেলায় তাহা পালন করা হয়নি। মোট ৩৩২.৮৯ একর মধ্যে ৮০.০০ একরের মতো বন্দোবস্ত করা আছে। অবশিষ্ট ২৫৩.০০ একর বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নি যাহা তদন্ত করা আবশ্যক।তফসিলভুক্ত সি.এস. খং নং এর সাবেক দাগ গুলির উপর সরকার পক্ষে আপত্তি দাখিলের ব্যবস্থা গ্রহণে জাতীয় সম্পদ রক্ষার করার পাশাপাশি উক্ত দাগ সমূহের তথাকথিত তঞ্চকী এস.এ. রেকর্ড গুলো বাতিলের ব্যবস্থা সহ বর্তমান মাঠ জরীপে আপত্তি দেয়া আবশ্যক। (খ) মৌজা আলমনগর মধ্যে জামিদার উপেন্দ্র নারায়ন সাহা চৌধুরী এর ৩৫১৭ নং এর একটি মাত্র দগে ৪৪.৪০ একরের উর্দ্ধে জমি ভি পি সম্পত্তি ভূমিদস্যুদের কুখ্যিগত দখল।(গ) মৌজা আলমনগর মধ্যে দতদরিদ্র মানুষ মতৃ তেপেল উদ্দিনের ওয়ারিশগণের মালিকানা জমি দাগ নং-৪৩১৯ ডাঙ্গা-.৮৬ শতক, বাটা দাগ নং- ৪৪৫২ জমি-০৭ শতক মোট ৯৩ শতক। যাহার তৌজি নং ১৬২ খতিয়ান নং- হাল ২১৫৬ ভূমিদস্যুদের কুখ্যিগত দখলে। মৌজা আলম নগর মধ্যে পরিত্যাক্ত জমির দাগ নং-৪০৩৩, খতিয়ান নং-১৫৬১, জমি- ৪৬.৫০ মধ্যে ০.৮ শতক জেলা প্রশাসক রংপুর। স্মারক নং- পঃসঃ(জমি)/৩৮৫/৩ তাং- ৬/০৩/৭৬ইং মূলে প্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে অপরিচ্ছন্য হাতে সৃষ্টি করা কগজাদীর মাধ্যমে সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মোকদ্দমা নং- ৫৭৬/৮০ইং মোকদ্দমা করে যোগসাজসী ভাবে এ্যাডঃ মোঃ নজরুল ইসলাম (আপেল) বি.এন.পি সমর্থীত। লীজি মোস্তফাকে উচ্ছেদ করার জন্য ষড়যন্ত্র মূলক মিথ্যা অভিযোগে জি.আর মামলা কোতয়ালী রংপুর এর নং- ২৪/২৪ তাং- ২৯/১১/৯৯ইং এর মামলার তথ্য বিবরণীতে মিথ্যা ০২ নং আসামী তার একমাত্র পুত্র ফারুক আহাম্মেদ (ইকবাল) কে জেল হাজতে প্রেরণ করে ২০১৫ইং সালে সরকারী জমি থেকে উচ্ছেদ পূর্বক সরকারী জমির কুঙ্খিগত করে দখলে নেয়। ফারুকের ১৬ বছর কে ফিরিয়ে দিবে….? (ঙ) মৌজা আলম নগর মধ্যে পরিত্যাক্ত জমির দাগ নং- ৪২৮৪, এস.এ খতিয়ান নং- ২০৬৮ এর ১৮ শতকের মধ্যে ১০ শতক জায়গা লীজ প্রাপ্ত আদেশ নং- ৮১, স্মারক নং- ১১৭৯(৯), তাং- ২৫/০৫/৮৭ইং এস.এ/এপি কেস নং- ৫/৮৬-৮৭ মাধ্যমে ৬টি ভূমিহীন পরিবারকে লীজ প্রদান করে। চতুর্থ বার মিথ্যা মামলা দায়ের করে গত-২৫/০১/২০১৪ইং গভীর রাতে সন্ত্রাসী তান্ডব চালীয়ে লীজির বাড়ীঘর ভাংচুর করে ভূমিহীনদের বরাদ্দকৃত জমি দখলের নিতে মিথ্যা মামলায় পর পর ০৩ বার হেরে সনজু গং এর চলমান মামলা নং- যা অতিরিক্ত জেলা জজ, ০২ এর আদালতে মামলা নং- ৪৩/১৩ চলমান রয়েছে। উক্ত বিষয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করেও মামলার কোন অগ্রগতী নেই। রাষ্ট্র পক্ষ নিরব। ৩। (ক) মৌজা তাজহাট জমিদার গোপাল লাল রায় বাহাদুর এর ফেলে যাওয়া ভি পি জমি গুলি ভূমিদস্যুদের কুঙ্খিগত দখলে। (খ) জনৈক হাদিস কন্ট্রাক্টর এর অব্যবহৃত বাড়িটি যাহা ঐজ ১১/৭১-৭২ কেস মুলে সরকার দখলে নেয় এবং ইতোপূর্বে হাইকোর্টের এ্যাটর্ণী জেনারেল এর বাসভবন ছিল পরবর্তী সময়ে রোকেয়া ফাউন্ডেশন নামে বন্দবস্ত দেওয়া ছিল। গত মে ২০১৫ মাসের শেষ সপ্তাহে ভূমিদস্যুদের দখলে নেয়। যাহার মৌজা তাজহাট খতিয়ান নং-২৮২ দাগ নং-৪১২৮ জমি ও বাড়ি ০.২৩ একর। যাহা পরবর্তী সময়ে হাউজ সিকুজিশনকৃত বাড়ি বর্তমানে মিস কেস নং- ০৩/২০০৯ মূলে লাওয়ারিশ ঘোষিত হয়। যোগসাজশী ভাবে ভূমিদস্যুদের দখলে নিয়ে কোর্ট অফসেটেলমেন্ট ঢাকায় ১১৫৮৮ নং মোকদ্দমা দায়ের করে যাহা তদন্ত করা আবশ্যক। (গ) মৌজা তাজহাট মধ্যে হতদরিদ্র মানুষ মতৃ তেপেল উদ্দিনের ওয়ারিশগণের মালিকানা জমি দাগ নং-৪৩৫৩ ডাঙ্গা-.৯৩ শতক, দাগ নং- ৩৯৭৩ জমি-৫২ শতক মোট ১.৪৫ শতক। যাহার তৌজি নং ১৬২ খতিয়ান নং- হাল ২৭৯, হোল্ডিং নং-১৪৪৯, ভূমিদস্যুদের কুখ্যিগত দখলে। (ঘ) বিশেষ দ্রষ্টব্য: গরীব মেহনতী মানুষের ৭/৮ টি সংগঠনের দাবী আমাদের আবেদনে সাড়া না পাওয়ায়, আমরা লড়াই করে জমি অবৈধ দখল ছিনিয়ে নিবে। অধিকার আদায়ের স্বার্থে, মর্মে অভিযোগ উঠিয়াছে, তাই আপনার সদয় অবগতি ও সহানুভুতির সহিত আশু দৃষ্টির অনুরোধ করছি। মৌজা-খলিশাকুড়ি, জে.এল. নং-৬৭, সা: দাং নং-০৪, ৪৬, ৬৩, কং নং- ২/১, মৌজা-চাঁনকুঠি, জে.এল. নং-৭৭, দাগ নং-৪৩৫, ৪৩৩, ২৪১, ১২১, ২৪৩, ২১০, পরিমাণ- ১২.১৯ মধ্যে অবশিষ্ট ৮.১৯ একর, সর্বমোট ২০/৩৮ একর জমি, থানা: কোতয়ালী, জেলা: রংপুর। তফসিল : মৌজা- তালুক তামপাট, জে.এল. নং-১৩৪ ও খতিয়ান নং- ১, দাগ নং- ৩৫৩৫ হইতে ৩৫৪১ পর্যন্ত মোট ৩১ টি দাগে জমির পরিমাণ ৩৯.৭৭ একর যাহা সদর উপজেলা ভূমি অফিস মিস কেস নং- ৯৭/০৯-১০, নথিভুক্ত আছে। ৪ (ক) তফসিল: মৌজা- হাজীপাড়া, জে.এল. নং- ৭২, থানা: গংগাচড়া, জেলা-রংপুর, খং নং- ১, দাগ নং- ১, ২, ৪, ২৯৬, ২৬৫, ২৫৬, ২৫৭, ২৩৬৩, ২৬৪, ২৬১, ২৬৬, ২৭৮, ২৬২, ২৬৭, ২৫৫, ২৬৯, ২৫৩, ২৫৯, ২৫৪, ২৬৮ = ২১ টি দাগে মোট জমির পরিমাণ ২৫০.৫৮ একর মধ্যে ১৫৩.২৮ একর নিষ্কণ্ঠক খাস চাষাবাদে অবৈধ দখল থেকে সরকারি খাস দকলে নেয়া থেকে পরবর্তী কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা আবশ্যক। (খ) উপরোল্লিখিত বিষয়াদি তদন্ত সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বল্প সময়ে টাকার পাহাড় গড়া ও সম্পত্তির মালিক হওয়ায় তাদের আইনের আওতায় এনে জাতীয় সম্পদ রক্ষা করার সবিনয় অনুরোধ করছি। অতএব, মহোদয় সমীপে বিনীত প্রার্থনা উপরোক্ত বর্ণনার গনঅভিযোগ উচ্চতর কমিটি গঠনে তদন্ত পূর্বক অধিগ্রহীত সম্পত্তি সহ অর্পিত, পরিত্যাক্ত, খাস খতিয়ান নং-১, জাতীয় সম্পদ ও মালিকানা জমি অবৈধ দখলকারী ভুমিদস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করে দখলীকার অধিকার বঞ্চিত মানুষের পত্রটি পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের আদেশ দানে আপনার একান্ত মর্জি হয়। এ আবেদনটিতে প্রায় দুই শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য সহী স্বাক্ষর করেন। মালিকানার বিভিন্ন কোর্ট ও সরকারি রেকর্ডাদী সংযুক্ত করে সরকার ও প্রশাসনের সর্ব স্তরে আবেদনটি ২৬ মে ২০১৬ইং পৌছে দেন। আমরা আশাকরি এই ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলো সরকারী হস্থক্ষেপে প্রায় ৬০ বছর যাবৎ বসবাসের ভিটে মাটি রক্ষা করতে পারবে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *