August 17, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

অনিবন্ধিত সিম বন্ধ না করার আবেদন

hc-sm20160525095942সরকার বলছে ৩১ মে’র মধ্যে বায়েমেট্রিক পদ্ধতিতে যেসব সিম নিবন্ধন করা হবে না, সেগুলো বন্ধ করে দেয়া হবে। কিন্তু উচ্চ আদালতে মামলা নিষ্পত্তি হওয়ার আগে সিম সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার সরকারি ঘোষণার বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে একটি আবেদন করা হয়েছে।

নিবন্ধনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিটকারী আইনজীবী অনিক আর হক সোমবার এ আবেদন করেন। আগামীকাল মঙ্গলবার আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

আইনজীবী অনিক আর হক সাংবাদিকদের বলেন, “হাইকোর্ট সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে বৈধ বলে রায় দেন। কিন্তু এখনো পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়নি। তার আগে সরকার নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করলে ৩১ মের পর অনিবন্ধিত সিম সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। অথচ আমরা এর বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করব বলে ঘোষণা দিয়েছি। তাই সরকারের এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে নির্দেশনা চেয়ে আবেদন করেছি।”

এর আগে গত ১২ এপ্রিল বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন এবং বিচারপতি এ কে এম সাহিদুল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়াকে বৈধ ঘোষণা করে রায় দেন। তবে এই নিবন্ধন প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ নিরাপত্তার মাধ্যমে সংরক্ষণ করতে নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, নির্বাচন কমিশন যেন আঙুলের ছাপ সংরক্ষণ করতে শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে। এ ছাড়া বিটিআরসির দেয়া নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করতে মোবাইল অপারেটরদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আঙুলের ছাপের অপব্যবহার হলে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

গত ১৪ মার্চ বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধন কার্যক্রম কেন অবৈধ নয় তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রুলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, স্বরাষ্ট্রসচিব, আইনসচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক (ডিজি), মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোসহ ১৩ জনকে জবাব দিতে বলা হয়।

গত ১৬ ডিসেম্বর সিম নিবন্ধনে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু হওয়ায় আঙুলের ছাপ না দিয়ে এখন আর নতুন সিম কেনা যাচ্ছে না। পাশাপাশি বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে পুরোনো সিমের পুনর্নিবন্ধন চলছে।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *