June 19, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

শাহরাস্তি সংহাইতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরকারী মাদক সম্রাট লিটন মামলা থেকে বাচাঁর জন্য নৌকাতে আগুন দিয়ে অর্থ বানিজ্য করছে (৪)

3জাহাঙ্গীর আলম: শাহরাস্তি উপজেলা সূচিপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের সংহাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গোলাম মোস্তফা ও তার সমর্থকরা ৭ মে ২০১৬ নির্বাচন কেন্দ্র দখল করার প্রস্তুতি এলাকার শান্তপ্রিয় জনতার প্রতিরোধে গোলাম মোস্তফা ও তার সমর্থকরা পালিয়ে যায়। ভোগ গণনার পর এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও জুয়ারী লিটন, ওসমান গনি নুস ও তার ভাই মকবুল হোসেন  চেয়ারম্যান মাসুদ আলম পাটোয়ারী সমর্থকারী আজিজুল হক পাটোয়ারীর ব্যবসায়িক অফিসে ঢুকিয়া বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর, অফিস তছনছ ডয়ার থেকে টাকা লুট করে। সন্ত্রাসী লিটন বাহিনীর সাথে ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা লোক ছিলেন। এরা পরাজিত হয়ে এলাকার নাশকতা কর্মকান্ড করে আসছে। অভিযোগে জানা যায় লিটন এলাকায় একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী ও এলাকার চুরি ডাকাতি করে থাকে। আওয়ামী লীগের নাম ভাঙ্গিয়ে এই সব অপকর্ম করে আসছে। দীর্ঘ ১৫ বৎসর পর্যন্ত পরাজিত চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা এই অপরাধীদেরকে লালন পালন করছে। এলাকায় দীর্ঘদিন সরকারী একটি খালও ৫ বছর দখল করে রাখে। পরবর্তীতে আজিজুল হক পাটোয়ারীর  ছেলে আবু ইউসুফ এক সাহসিকতার ভূমিকা নিয়ে এলাকাবাসীর গণদাবী পূর্ণ করছেন। জেলা প্রশাসক চাঁদপুর হস্তক্ষেপে আবু ইউসুফদের নেতৃত্বে এই দখলদার হাত থেকে খালটি উদ্ধার করা হয়। লিটন পরিবারটি এলাকার স্থায়ী নয়। তারা শ্যামপুর কামার বাড়ী থেকে এসেছে। তাহাদেরকে এলাকায় রোহিঙ্গা হিসাবে সর্বলোকে জানে। তাহার ভাই মকবুল বাংলাদেশ পুলিশের একজন কনস্টেবল হয়ে ভাইদের অপকর্মের সমর্থক করে এলাকাটি এক নৈরাজ্য সৃষ্টি করে আসছে। মকবুল পুলিশ বাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তার নাম ভাঙ্গায়। মকবুল একজনমাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন ঐ সময় শাহরাস্তি শিবিরের সমর্থক ছিলেন। নসু ঢাকাতে একটি হোটেল বয় ছিলেন। এলাকায় ঢুকে জুয়ার আসর বসান। পরবর্তীতে গোলাম মোস্তফার হাত ধরে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। লিটন আওয়ামী লীগের কোন সদস্য নয়। তাহার মাদক ব্যবসা টিকিয়ে রাখার জন্য আওয়ামী লীগ হয়ে এই সব কাজ করছেন। যাহা সরকারের ভাবমূর্তি ব্যপক ক্ষুন্ন। গত ০৭/০৫/২০১৬ইং তারিখে রাত ৮টার সময় ফেরুয়া বাজারে মৃত্যু ইউসুফের দোকানের সামনে একটি নৌকার প্রতিক ছিলেন। লিটন ও তার সহযোগিরা নসু মকবুল, বিল্লাল হোসেন উত্তর নরিংপুর, রাসেল সাং কাশির বাড়ি, ফেরুয়া হাজি বাড়ীর রশিদ, দুলাল হোসেন ফেরুয়া পশ্চিম বাড়ী, সোয়েল কাশির বাড়ী, সংহাইতে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করিয়া ফেরুয়া আসিয়া নিজে নৌকার প্রতিকটি জ্বালাইয়া দিয়ে ফেসবুকে দেন। ৩ দিন পর নির্বাচিত চেয়ারম্যান রশিদ ও তাতী লীগ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক আবু ইউসুফ সহ মোট ৭জনকে বিবাদী করে শাহরাস্তি থানায় একটি অভিযোগ দেন মাদক লিটন বাদী হয়ে। অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে। এই মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে এলাকার সাধারণ মানুষকে হয়রানী করছেন বলে জানা যায়। অভিযোগে অজ্ঞাতনামা ১৫০জনকে দেওয়া হয়েছে। মাদক লিটন ও তার ভাই নসু মকবুল ঈদের বোনাসের মত এলাকার লোকজনকে মামলায় ফাঁসাইয়া দিবেন বলে টাকা পয়সা নিচ্ছে। আর এ অন্তরালে তাদের মাদক ও জুয়ার ব্যবসা পাকাপোক্ত করছে। বঙ্গবন্ধু ছবি ভাংচুরের প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু আদর্শের বিশ্বাসী আজিজুল হক পাটোয়ারী বাদী হয়ে জেলা পুলিশ সুপার, চাঁদপুর, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরাস্তি থানা ও মাননী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে পৃথক পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে মাদক লিটন ও তার দুই ভাই নসু মকবুল ও আরো অজ্ঞাতনাম ১০-১২ জনকে করা হয়েছে। শাহরাস্তি সংহাইতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরকারী মাদক সম্রাট লিটন মামলা থেকে বাচাঁর জন্য নৌকাতে আগুন দিয়ে অর্থ বানিজ্য করছে, এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরকারীরা এলাকায় ও শাহরাস্তি থানায় ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। বিষয়টি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জেলা পুলিশ সুপারের আসন্ন হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *