August 15, 2018

এইমাত্র পাওয়া সংবাদ

কচ্ছপ গতিতে চলছে পূর্ত মন্ত্রণালয়ের আইন শাখা, ১৫ দিনেও সই হয়নি পুটআপ কৃত একটি পত্র- সরদার শাহাদাৎ হোসেন

123456সরদার শাহাদাৎ হোসেন ॥ মহামান্য সুপ্রীম কোর্ট, আপীলেট ডিভিশন (সিভিল আপীল নং-৪৭/১৯৮৯ এর ৩১/১০/১৯৮৯ খ্রি: তারিখের আদেশ) এর বিরুদ্ধে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের দায়েরকৃত সিভিল রিভিউ পিটিশন নং-৫৮/২০১২, খারিজ আদেশ তাং-২২/০২/২০১৬ খ্রি: সূত্রের বরাতে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মহোদয় বরাবরে বর্ণিত সিভিল রিভিউ পিটিশন নং-৫৮/২০১২, খারিজ হওয়ায় হোল্ডিং নং-১০/, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল মৌজাস্থিত সিটি জরিপের খতিয়ান নং-৬৫৫, দাগ নং-২৮৫১, জমির পরিমাণ ০.৭২৬০ অযুতাংশ সম্পত্তির ভূমি উন্নয়ন কর (খাজনা) গ্রহণ, অবমুক্তির ছাড়পত্র, গেজেট প্রজ্ঞাপন প্রকাশের বিহীত ব্যবস্থা প্রার্থনা করে প্রকৃত ভূমির মালিক ও দখল স্বত্ত্ববান জনাব নাজিম হাবিব-উজ-জামান পূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব দপ্তর স্মারক নং-৫৯০, তাং-১৪/০৩/২০১৬ খ্রি: তারিখে একখানা আবেদন করেন। সে আলোকে বিজ্ঞ আইন উপদেষ্টা পূর্ত মন্ত্রণালয় স্মারক নং-৭৩০। ১৫ দিন আগে আবেদনকারীর পক্ষে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে আইন কর্মকর্তা (উপসচিব) আবদুন নুর মুহম্মদ আল ফিরোজ এর দপ্তরে বহু খোঁজাখুজির পরে আবেদন পত্রটি পাওয়া যায়। আইন শাখার অফিস সহকারী উক্ত আবেদনের বিষয়ে জানান যে, বিজ্ঞ সলিসিটর দপ্তর থেকে উক্ত রিভিউ পিটিশনের মূল নথি না আসা পর্যন্ত আবেদনের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে না। সে মতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তার আদেশ পেলে আবেদনের বিষয় উল্লেখপূর্বক বিজ্ঞ সলিসিটরের নিকট রিভিউ পিটিশনের মূল নথি ও আদেশ কপি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য একটি পত্র সলিসিটর দপ্তরে পাঠানো হবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ সলিসিটর বরাবর একটি পত্র প্রদানের নিমিত্তে আবেদনের বিষয়ে পুটআপ দেয়া হয়। পুটআপ কৃত পত্রটি দীর্ঘ ১৫ দিন যাবত উক্ত আইন কর্মকর্তা (উপসচিব) এর টেবিলে পড়ে আছে। বিজ্ঞ আইন কর্মকর্তা এতই কর্মব্যস্ততার মধ্যে দিন অতিবাহিত করেন যে, দীর্ঘ ১৫ দিনেও পুটআপকৃত পত্রটিতে সই স্বাক্ষর করার সময় তিনি পান নি। মূলত কচ্ছপ গতিতে চলছে পূর্ত মন্ত্রণালয়ের আইন শাখা। ১৫ দিনেও সই হয়নি পুটআপ কৃত একটি পত্র। মাননীয় মন্ত্রী/মাননীয় সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আমরা অনুরোধ করছি যে, পূর্ত মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘ দিনের, পুরাতন অভিযোগ অপবাদকে দূর করে, পূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকান্ডের গতিধারাকে সুসংহত করা হোক। এটাই এখন সময়ের দাবি।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *